মানকাডিংয়ের পরও যেভাবে নট আউট ভারতীয় ক্রিকেটার

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগে (আইপিএল) ডেলিভারির ঠিক আগমুহূর্তে থেমে স্টাম্প ভাঙলেন লখনৌ সুপার জায়ান্টসের দিগ্বেশ রাঠি। নন স্ট্রাইকে থাকা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার বেঙ্গালুরুর ব্যাটার জিতেশ শর্মা তখন ক্রিজের বাইরে। মানকাডিং আউটের নিয়মে তো জিতেশ আউট। তবে টিভি আম্পায়ার উল্লাস গান্ধে তাকে নট আউট ঘোষণা করে। মঙ্গলবার শেষ পর্যন্ত ৩৩ বলে ৮৫ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়েন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক জিতেশ।
আইপিএলের প্লেয়িং কন্ডিশন ৩৮.৩.১ অনুযায়ী, বোলিং করার সময় বোলার যতক্ষণ পর্যন্ত না সাধারণভাবে বল ছাড়ার কথা, ততক্ষণ পর্যন্ত নন স্ট্রাইকার যদি ক্রিজের বাইরে থাকেন, তবে বোলার তাকে রান আউট করতে পারবে। এমন পরিস্থিতিতে নন স্ট্রাইকার ক্রিজের বাইরে থাকলে বোলার বলটি না ছুঁড়ে সরাসরি হাতে থাকা বলে বা বল ছুঁড়ে যদি স্টাম্প ভাঙতে পারেন, তবেও তিনি রানআউটের নিয়মের মধ্যে পড়বেন। কিন্তু এদিন রাঠি তার বোলিং অ্যাকশন পূর্ণ করে ফেলেন। বোলিং করার মতো অবস্থায় থাকার কারণে মানকাডিং করেও কাজের কাজটা করতে পারেননি তিনি। টিভি স্ক্রিনে ‘নট আউট’ ভেসে ওঠার সময় লখনৌ অধিনায়ক ঋষভ পান্থ ইশারায় বুঝান যে তিনি আপিল তুলে নিয়েছেন। এরপর জিতেশকে বুকে জড়িয়েও ধরেন পান্থ। তৃতীয় আম্পায়ার যদি আউটও দিতেন, তবুও আপিল তুলে নিতেন বলে জানান লখনৌ অধিনায়ক।১২.২ ওভারে কোহলি যখন আউট হলেন, তখন বেঙ্গালুরুর দলীয় সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১২৩ রান। জয়ের জন্য ৫২ বলে তখনও প্রয়োজন ১০৫ রান। এমন পরিস্থিতিতে ছয় নম্বরে নেমে আগ্রাসী ইনিংস খেলেন জিতেশ। ৬ ছক্কা আর ৮ চারের মারে ৮৫ রানের ইনিংসে ম্যাচসেরা হয়েছেন তিনিই। বেঙ্গালুরু জয় তুলে নেয় ৬ উইকেটে। অপরাজিত ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলার দিন মানকাডিংয়ের এর পাশাপাশি ক্যাচ আউটের হাত থেকেও বাঁচেন জিতেশ। ১৭তম ওভারে ব্যক্তিগত ৪৯ রানে রাঠির বলেই বাদোনির হাতে ধরা পড়েন তিনি। আম্পায়ার সেটিকে নো বলের সংকেত দিলে জীবন পান এই ডানহাতি ব্যাটার।(মাহবুবুল ইসলাম)