সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ১১ টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৫ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মাত্র ছয় ঘণ্টায় জম্মুতে ২২ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে— যা ছিল এই এলাকায় সর্বোচ্চ। তবে মধ্যরাতের পর বৃষ্টি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।জম্মু-কাশ্মীরে বৈষ্ণোদেবী যাত্রাপথে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২৩ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (২৭ আগস্ট) প্রবল বৃষ্টির মাঝে কাটরার অর্ধকুমারী এলাকার কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, আরো অনেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে থাকতে পারেন। উদ্ধারকারী দলগুলো এখনো তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। খবর ইন্ডিয়া টুডে।গত কয়েকদিনের অবিরাম বৃষ্টিতে জম্মু-কাশ্মীরে আকস্মিক বন্যা এবং একাধিক ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। জম্মুতে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে; ভেঙে পড়েছে একাধিক সেতু এবং বিদ্যুতের লাইন ও মোবাইল টাওয়ারও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।প্রবল বৃষ্টির কারণে আকস্মিক বন্যা এবং জলাবদ্ধতায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ৩,৫০০ এরও বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ১১ টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৫ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মাত্র ছয় ঘণ্টায় জম্মুতে ২২ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে— যা ছিল এই এলাকায় সর্বোচ্চ। তবে মধ্যরাতের পর বৃষ্টি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
এর আগে, মঙ্গলবার বিকালে ত্রিকোটা পাহাড়ে অবস্থিত বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের যাত্রাপথে আরেকটি ভূমিধসে নয়জনের মৃত্যু হয় এবং আহত হন ২১ জন। পাহাড়ের একাংশ ভেঙে পড়ার কারণে পথটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।
জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এক্স-এ একটি পোস্টে জানিয়েছেন, যোগাযোগ প্রায় অচল হয়ে পড়ায় তাকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, প্রবল বৃষ্টির কারণে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বেশ কিছু পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা বলেছেন, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিশাল অংশ যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে অন্ধকারে নিমজ্জিত। এ অবস্থা সংকটকে আরো গভীর করে তুলেছে। (মাহমুদুল হাসান)